চব্বিশের গণ-আন্দোলনে রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আজ। গত ৫ মার্চ চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রায়ের এই দিন ধার্য করেছিলেন। এই মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ মোট আসামি ৩০ জন। তাঁদের মধ্যে সাবেক উপাচার্যসহ ২৪ জনই পলাতক। গ্রেপ্তার হওয়া ছয়জন হলেন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ। প্রসিকিউশন থেকে এই মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম ও গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম। আসামিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো, আজিজুর রহমান দুলু, মামুনুর রশীদ, ইশরাত জাহান ও শহিদুল ইসলাম। আর পলাতক আসামিদের পক্ষে যুক্তিতর্ক করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সুজাদ মিয়া।বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন শহীদ আবু সাঈদ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলার মধ্যে ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। আবু সাঈদের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে কোটা সংস্কার আন্দোলন আরো তীব্র হয়।









