২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ সময় রোববার দিবাগত রাত ১টায় মুখোমুখি হতে চলেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও বর্তমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ শিরোপার লড়াইয়ে মাঠে নামবে দুই দল।
এর আগে মুখোমুখি দেখায় স্পেন ও আর্জেন্টিনা একটা ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানে আছে। ফুটবলের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ১৪ বার একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে দল দুটি। এই ১৪টি ম্যাচের মধ্যে আর্জেন্টিনার জয় ৬টি এবং স্পেনের জয়ও ৬টি। বাকি দুটি ম্যাচ হয়েছে ড্র।
তবে এই ম্যাচটি হতে চলেছে ফিফা বিশ্বকাপে স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার দ্বিতীয় ম্যাচ। এর আগে বিশ্বকাপে তাদের দেখা হয়েছিল মাত্র একবার। ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ আসরের গ্রুপ পর্বে মুখোমুখি হয়েছিল দল দুটি, যেখানে আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে স্পেনকে হারিয়েছিল।
তবে মজার বিষয় হলো একবিংশ শতাব্দীতে দুই দলের লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছে স্পেন। ২০০০ সালের পর দুই দল চারবার মুখোমুখি হয়েছে, যার মধ্যে তিনটিতেই জয় পেয়েছে স্প্যানিশরা।
অপ্টার সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের দৌড়ে ফেবারিট হিসেবেই ফাইনালে নামছে স্পেন। ম্যাচটি নিয়ে ২৫ হাজার বার সিমুলেশন চালিয়ে দেখা গেছে, ৫৯ দশমিক ৬ শতাংশ ক্ষেত্রে স্পেন চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। অন্যদিকে বাকি ৪০ দশমিক ৪ শতাংশ ক্ষেত্রে শিরোপা ধরে রাখার কৃতিত্ব দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা।
শুধু নির্ধারিত ৯০ মিনিটের ফলাফল বিবেচনা করলে, ৪৫ শতাংশ সিমুলেশনে স্পেন জয় পেয়েছে। ২৯ শতাংশ ক্ষেত্রে ম্যাচ ড্র হয়ে অতিরিক্ত সময়ে গড়িয়েছে। আর বাকি ২৬ শতাংশ সিমুলেশনে নির্ধারিত সময়েই জয়ী হয়েছে আর্জেন্টিনা।
পরিসংখ্যান, সাম্প্রতিক ফর্ম এবং সুপারকম্পিউটারের পূর্বাভাস স্পেনকে কিছুটা এগিয়ে রাখলেও, বিশ্বকাপের ফাইনাল বরাবরই আলাদা এক মঞ্চ, যেখানে অতীতের হিসাব-নিকাশ অনেক সময়ই ম্লান হয়ে যায়। শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা এবং দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে উজ্জীবিত স্পেন—দুই দলের লড়াইয়ে ফুটবল বিশ্ব অপেক্ষা করছে আরেকটি স্মরণীয় ফাইনালের সাক্ষী হওয়ার।









