আইনের ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি কোনো শিশুর বাবা বা দাদার বাইরে অন্য আত্মীয় বিয়ে ঠিক করেন, তবে যদি জীবনসঙ্গীকে সামাজিকভাবে উপযুক্ত এবং দেনমোহর যথাযথ ধরা হয়, তাহলে সেই বিয়েটি বৈধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। তবে শিশু পরে তালেবান আদালতের মাধ্যমে বিয়ে বাতিল চাইতে পারবে। আরেকটি ধারা বলছে, যদি জীবনসঙ্গী ‘অযোগ্য’ হয় বা দেনমোহর অন্যায্য হয়, তাহলে সেই বিয়ে বৈধ বলে গণ্য হবে না।
বিধিমালায় বাবা ও দাদাদের শিশুর বিয়ের ক্ষেত্রে ব্যাপক কর্তৃত্ব দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, যদি অভিভাবকরা নির্যাতনকারী, মানসিকভাবে অযোগ্য বা নৈতিকভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত প্রমাণিত হন, তাহলে সেই বিয়ে বাতিল করা যেতে পারে।নথিতে তালেবান বিচারকদের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে ব্যভিচারের অভিযোগ, ধর্মান্তর, স্বামীর দীর্ঘদিন অনুপস্থিতি এবং ‘জিহার’ (একটি প্রাচীন ইসলামী ধারণা যেখানে স্বামী স্ত্রীকে নিষিদ্ধ আত্মীয়ের সঙ্গে তুলনা করে) সংক্রান্ত বিরোধে হস্তক্ষেপ করার। এসব ক্ষেত্রে বিচারকরা বিচ্ছেদ, কারাদণ্ড বা শাস্তির নির্দেশ দিতে পারেন।
২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে নারীদের ওপর বিধিনিষেধ নিয়ে আন্তর্জাতিক সমালোচনা ক্রমেই বাড়ছে। আফগানিস্তানে মেয়েদের ষষ্ঠ শ্রেণির পর শিক্ষা নিষিদ্ধ, নারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ এবং কর্মক্ষেত্র, ভ্রমণ ও জনজীবনে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা তালেবানের নীতিকে লিঙ্গভিত্তিক বর্ণবৈষম্য হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।










