শাহজাদপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে একটি মহলের ধারাবাহিক কুৎসা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের ঘটনায় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের বিরুদ্ধে ‘মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি’ সংক্রান্ত যে তথ্য ছড়ানো হয়েছে, তাকে সম্পূর্ণ বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং রাজনৈতিক চরিত্রহননের অপচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও দলীয় নেতাকর্মীরা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শাহজাদপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ একজন একজন সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান, সফল ব্যবসায়ী এবং সাংস্কৃতিক পৃষ্ঠপোষক হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি একজন মানবতাবাদী ও দানবীর হিসেবে সমাদৃত। তার শিক্ষা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে তাকে এক অনুপ্রেরণাদায়ী নেতায় পরিণত করেছে। স্থানীয়রা জানান, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ কোনো প্রকার অবৈধ বালু বা মাটি ব্যবসার সাথে জড়িত নন, বরং তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি চক্র গণমাধ্যমকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে।

ছিচকে জাহিদের অতীত ও প্রেসক্লাব থেকে বহিষ্কারের দাবি
পেশাদারিত্বের আড়ালে ব্যক্তিগত আক্রোশ আর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নোংরা খেলায় মেতে উঠেছেন স্বঘোষিত সাংবাদিক জাহিদ। মাটি কাটার কাল্পনিক গল্প সাজিয়ে এই জনদরদী নেতার চরিত্রহননের যে অপচেষ্টা চলছে, তাকে ‘হলুদ সাংবাদিকতার নিকৃষ্টতম উদাহরণ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য, তথাকথিত এই সাংবাদিক জাহিদের অতীত রেকর্ড চরম কলঙ্কিত। গত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের মদদপুষ্ট, ইয়াবা ব্যবসা, গরু চুরি এবং ব্ল্যাকমেইলের মতো অপরাধে জড়িত এই ব্যক্তি সাংবাদিকতার পবিত্র পোশাক পরে শাহজাদপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনকে অস্থিতিশীল করার মিশনে নেমেছেন।
এলাকাবাসী ও রাজনৈতিক মহলের অভিযোগ, জাহিদ সাংবাদিকতার মহান পেশাকে কলঙ্কিত করে ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি ও চাঁদাবাজিতে লিপ্ত। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, চুরির সিন্ডিকেট পরিচালনা এবং ব্ল্যাকমেইলসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এমনকি ২০১৮ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট জালিয়াতির সাথেও তার সংশ্লিষ্টতার কথা বলছেন স্থানীয়রা। শাহজাদপুরের সাধারণ মানুষ ও যুবদলের পক্ষ থেকে এই ‘ছিঁচকে চোর’ সদৃশ হীন মানসিকতার সাংবাদিককে অনতিবিলম্বে শাহজাদপুর উপজেলা প্রেসক্লাব থেকে বহিষ্কারের জোর দাবি জানানো হয়েছে। বিতর্কিত এই সাংবাদিকের লেবাস পরা জাহিদ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে, এর আগে বিএনপির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডঃ এম এ মুহিত এবং শাহজাদপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলীর নামেও অনুরূপ ভিত্তিহীন, মিথ্যা, বানোয়াট ও ‘গায়েবি’ সংবাদ প্রচার করে শাহজাদপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা করেছে।

স্থানীয় একজন সিনিয়র সাংবাদিক বলেন, “প্রমাণ ছাড়া বা প্রশাসনিক নথি ব্যতিরেকে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ সংবাদ পরিবেশন সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী। এটি স্পষ্টত একটি পরিকল্পিত প্রোপাগান্ডা।”
এ বিষয়ে স্থানীয়রা মনে করেন, একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ যখন তার মতো মানুষের সম্মানহানি করতে চায়, তখন বুঝতে হবে এটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে এবং সাংবাদিকতার মান রক্ষায় বিতর্কিত জাহিদকে অবিলম্বে শাহজাদপুর উপজেলা প্রেসক্লাব থেকে বহিষ্কারের দাবি এখন গণদাবি।
শাহজাদপুরের একাধিক আইনজীবী মনে করেন, মানহানিকর এবং ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে জাহিদ ডিজিটাল নিরাপত্তা বা সংশ্লিষ্ট আইনে অপরাধ করেছেন, যার জন্য কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
শাহজাদপুর যুবদল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের মতো পরিচ্ছন্ন নেতার বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ। অবিলম্বে এই মিথ্যা সংবাদ প্রত্যাহার এবং জনসমক্ষে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা না করলে শাহজাদপুরের সর্বস্তরের জনগণকে সাথে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সত্যকে কখনো চাপা দেওয়া যায় না। শাহজাদপুরের শান্তিপ্রিয় মানুষ এই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে ঐক্যবদ্ধ। প্রশাসনের প্রতি আকুল আবেদন, এই তথাকথিত সাংবাদিকদের মুখোশ উন্মোচন করে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হোক।










