জীবনে প্রথমবার ভোট দিতে গিয়ে তরুণ ভোটাররা বেশ যাচাই-বাছাই করেই ভোট দিচ্ছেন। শুধু প্রতীক নয়, দেশ পরিচালনায় প্রার্থী যোগ্য কি না, সেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা। বিশেষ করে ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পর জেনজি ভোটাররা নিজেদের ভোট দেওয়াকে রাষ্ট্র পরিচালনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে দেখছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাতেমাতুজ জোহরা জীবনের প্রথম ভোট দিলেন। তিনি বলেন, নিজেকে বড় মনে হচ্ছে, কারণ এর আগে তো কখনো ভোট দেইনি। আশা করেছিলাম ২০২৪ এর গণ গণঅভ্যুত্থানের পর পরিস্থিতি ভালোর দিকে যাবে। কিন্তু তা হয়নি। তাই এই নির্বাচনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে ফাতেমাতুজ জোহরা বলেন, ‘সবার ইশতেহার পড়েছি এবং তাদের পরিকল্পনা পর্যালোচনা করেছি। দেশের ভবিষ্যত নিয়ে প্রার্থীদের পরিকল্পনা পর্যালোচনা করেই আমি ভোট দিয়েছি। সবদিক মিলিয়ে যাকে ভালো মনে হয়েছে সবচেয়ে বেশি, তাকেই বেছে নিয়েছি।’ জীবনের প্রথমবারের মতো ভোট দিলেন তাহসিনাত বেগম। ভোট দিতে এসে তিনি বলেন, ‘আমি অনেক খুশি দেশের এই পরিবর্তনে। কারণ, গত সরকারের আমলে ভোট দেইনি। মনে করতাম যে হয়তো ভোট দেওয়ারই দরকার নাই, কারণ রেজাল্ট তো একই হবে।’ প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি নারীদের নিরাপত্তা, দেশের উন্নতি ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন। পল্লবী এম আই মডেল হাই স্কুল বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রে প্রথমবারের মতো ভোট দিতে এসেছেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার কামরুল হাসান। তিনি বলেন, ‘প্রথমবার ভোট দিয়ে খুবই ভালো লাগছে। এখন মনে হচ্ছে আমি দেশের একজন দায়িত্ববান নাগরিক। এর আগে ভোট দেওয়ার আগ্রহ তেমন ছিল না। আমি দেখেছি আমার বয়সী ছেলেপেলে সিলের ওপর সিল মেরেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রার্থী নির্বাচনে আমি প্রার্থীদের যোগ্যতা, তাদের অভিজ্ঞতা ইত্যাদি গুণাবলি মাথায় রেখে ভোট দিয়েছি।’










