য়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে, এখনও গেজেট আকারে তা প্রকাশ করা হয়নি। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি।
নতুন সংসদ সদস্যদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে জাতীয় সংসদ ভবন। নির্বাচনে বিজয়ী সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান সামনে রেখে এ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে সংসদ সচিবালয়। ২০২৪ সালের ৫ অগাস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলোর মেরামতও করা হয়েছে।
নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কবে হবে এবং কে পড়াবেন এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “আমরা আমাদের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি, যা আমাদের সাধারণ দায়িত্বও বটে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের পরেই শপথ অনুষ্ঠান হবে।”
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৮(২ক) অনুযায়ী, নির্বাচনের ফল গেজেটে প্রকাশের পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
সাধারণত নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান স্পিকার। তিনি না পারলে ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়াবেন। সংবিধানের ১৪৮ এর ৩ ধারায় বলা হয়েছে, স্পিকার অথবা ডেপুটি স্পিকার যদি শপথ না পড়ান তাহলে তিন দিন পরেও চতুর্থ দিন থেকে পরবর্তী দিন প্রধান নির্বাচন কমিশনারই শপথ পাঠ করাবেন।
দ্বাদশ সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী স্পিকারের পদ থেকে পদত্যাগ করে আত্মগোপনে রয়েছেন। ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু একটি মামলার আসামি হিসেবে কারাগারে বন্দি।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ঘোষিত ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ও তার মিত্ররা পেয়েছে ২১২টি। ১১ দলীয় জোট পেয়েছে ৭৭টি আসন। ইসলামী আন্দোলন এক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছেন। ফলাফল ঘোষণাকৃত আসনগুলোতে ভোটের হার ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেন। শপথের পরেই নতুন সংসদের অধিবেশন ডাকার প্রক্রিয়া শুরু হয়।










