চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে গতকাল রাতটা ছিল রোমাঞ্চকর এক লড়াইয়ের। ৭ গোলের ধুন্ধুমার লড়াইয়ে শেষ হাসি হেসেছে বায়ার্ন মিউনিখ। দ্বিতীয় লেগে রেকর্ড ১৫ বারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে নিশ্চিত করেছে সেমিফাইনাল। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজি।
ম্যাচের প্রথমার্ধেই গোল হয়েছে পাঁচটি। ৩-২ গোলে এগিয়ে ছিল রিয়াল। বিরতির পর ম্যাচের গতি কিছুটা কমে আসে, দুই দলই কৌশলগত লড়াইয়ে মনোযোগ দেয়।
ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে বলেই মনে হতে থাকে তখন। কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার চার মিনিট আগে সময় নষ্ট করার অভিযোগে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন রিয়াল মাদ্রিদের বদলি খেলোয়াড় এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা। এর আগে হ্যারি কেইনের ওপর ফাউল করেছিলেন এই ফরাসি মিডফিল্ডার।
পরে শেষ মুহূর্তে ৮৯ মিনিটে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করেন লুইস দিয়াজ। বায়ার্নের হয়ে মৌসুমের ২৪তম গোলটি করেন তিনি। জামাল মুসিয়ালার সঙ্গে ওয়ান-টু খেলে সামান্য ডিফ্লেকশনে বল জড়িয়ে দেন জালে।
যোগ হওয়া সময়ে (৯০+৪ মিনিট) মাইকেল ওলিসের চতুর্থ গোল নিশ্চিত করে দেয় বায়ার্নের জয়। ফলে দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৪ ব্যবধানে জয় পেয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় জার্মান জায়ান্টরা।
প্রথম লেগে ২-১ গোলে পিছিয়ে থাকার পরও আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় তিনবার এগিয়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদ। প্রথম ও ২৯ মিনিট মিলিয়ে আর্দা গুলের করেন জোড়া গোল। ৪২ মিনিটে জাল কাঁপান এমবাপ্পেও। বিপরীতে প্রতিবার জবাব দেয় বায়ার্নও। ৬ মিনিটে পাভলোভিচের প্রথম গোলের পর ৩৮ মিনিটে বায়ার্নের হয়ে মৌসুমের ৫০তম গোলটি করেন হ্যারি কেইন।
অপর কোয়ার্টার ফাইনালে স্পোর্টিং লিসবনের বিপক্ষে স্নায়ুচাপের ম্যাচে গোলশূন্য ড্র করে সেমিফাইনালে উঠেছে আর্সেনাল। দুই লেগ মিলিয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় শেষ চার নিশ্চিত হয়েছে তাদের।
এমিরেটস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে নিজেদের সেরা ছন্দে ছিল না আর্সেনাল। পুরো ম্যাচজুড়েই কিছুটা অস্বস্তিতে দেখা যায় তাদের। তবে প্রথম লেগের সামান্য লিড ধরে রাখতে সক্ষম হয় গানার্সরা। স্পোর্টিং বারবার সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়ায় স্বস্তির জয় পায় আর্সেনাল। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এবার আর্সেনালের প্রতিপক্ষ অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ।










