নিহত স্কুলছাত্রীর নাম ফারজানা ইয়াসমিন (৯)। সে কালীগঞ্জ উপজেলার কাশিবাটি গ্রামের কৃষক ও ভ্যানচালক এনামুল হকের মেয়ে ও ৪১নং কাশীবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুন্নাহার পুতুল বলেন, ফারজানাকে সোমবার সকাল ৮টা ৩১ মিনিটে স্কুল থেকে সুরাইয়া ডেকে নিয়ে যায়। যাহা স্কুলের সিসি ক্যামেরা দেখে নিশ্চিত হওয়ার পর বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও পুলিশকে অবহিত করা হয়।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ৮টায় ফারজানাকে স্কুল থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে বিকেলে তিনিসহ পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। স্কুলছাত্রী ফারজানার হাত ও পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ ঝালমুড়ি বিক্রেতা সুরাইয়ার ঘরের আলমারির ড্রয়ারে লুকিয়ে রাখে। তবে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সুরাইয়াকে ইট দিয়ে থেঁতলে মেরে ফেলে ও তার ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ফারজানা ও সুরাইয়ার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।










