২২ বছর পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ খুলনা আসছেন। তাঁর আগমনে একদিকে নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে দাবি আদায়ের প্রত্যাশার নতুন দিগন্ত সৃষ্টি হয়েছে। খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেন, তারেক রহমানের আগমন কেবল একটি নির্বাচনি কর্মসূচি নয়, এটি নেতা-কর্মীদের সাহস-মনোবল ফিরিয়ে আনার মুহূর্ত। সেই সঙ্গে দাবি আদায়ের প্রত্যাশার সংমিশ্রণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন হওয়ার মাহেন্দ্রক্ষণ। বিএনপি চেয়ারম্যানের আগমন ঘিরে সাজ সাজ রব অবস্থা বিরাজ করছে।
খুলনার খালিশপুর প্রভাতি স্কুলের মাঠে জনসভার কার্যক্রম শুরু হবে বেলা ১১টায়। হেলিকপ্টারযোগে তারেক রহমান খুলনায় আসবেন দুপুর ১২টায়। জনসভায় বক্তৃতা শেষে বেলা ১টায় যশোরের জনসভায় যোগ দিতে খুলনা ছাড়বেন। বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, জনসভায় খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরার নেতা-কর্মীরা যোগ দেবেন। এই অঞ্চলের ধানের শীষের প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক পরিচয় করিয়ে দেবেন তিনি। তারেক রহমান শ্রমিকদের কাছাকাছি আসতে চান, শ্রমিকদের কথা শুনতে চান। এই কারণে শিল্পাঞ্চলের এ মাঠটিতে জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। খুলনার শিল্পাঞ্চল বাঁচাতে কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন শ্রমিকদের সে কথাগুলো বলবেন। পাশাপাশি বিল ডাকাতিয়ার জলাবদ্ধতা নিরসন, পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ, বন্ধ কলকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র চালুর ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিতে পারেন। এদিকে প্রথমবারের মতো যশোর আসছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। খুলনার জনসভা শেষে হেলিকপ্টারে বেলা দেড়টায় তিনি যশোর পৌঁছাবেন। পরে যশোর সদর উপজেলার উপশহর কলেজ মাঠের জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন তিনি। মাত্র দুই দিনের প্রস্তুতিতে আয়োজিত এ জনসভা যশোরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জনসভা হতে যাচ্ছে বলে আশা করছেন জেলা বিএনপির নেতারা। তাঁরা জানান, জনসভাস্থলের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। দুই লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে তাঁরা আশা করছেন।
বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য মাত্র দুই দিন সময় পাওয়া গেছে। সমাবেশে সাধারণ মানুষকে আনার জন্য বিশেষ কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।










