সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সাহসী সামরিক অভিযান আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ২০২৬ সালের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে নিউইয়র্কে নিয়ে গিয়েছে। তা ব্যাপক আন্তর্জাতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এ ঘটনা বিশ্ব রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে এবং কিছু দেশের নেতা বিশেষ করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মন্তব্য করেছেন যে, যদি এমনভাবেই নেতাদের মোকাবিলা করা হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনকেও একই ধরণের সমাধানের জন্য পরিকল্পনা করতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে এই ধরনের কোনো পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেন, এ ধরনের আদেশ দেয়া সম্ভবত প্রয়োজন হবে না। আমরা পুতিনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখব।
এমনকি তিনি পুতিনের প্রতি নিজের ‘খুব হতাশ’ অনুভূতিও প্রকাশ করেছেন। কিন্তু রাজনৈতিক বা সামরিকভাবে তাকে আটক করার মতো কোনো উদ্যোগ নেয়ার কথা অগ্রাধিকার হিসেবে দেখেন না। পুতিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত হেগে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় আছে। তবে এমনটা ঘটাতে হলে অনেক বেশি জটিল কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বাধা রয়েছে। বিশেষ করে যখন লক্ষ্য করা হয় যে, টেকসই শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সরাসরি সংঘাত আরো বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। ( মানবজমিন থেকে নেওয়া)










