রবিবার | ১২ এপ্রিল, ২০২৬ | ২৯ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৩ শাওয়াল, ১৪৪৭

বিমানের ৩ পরিচালক নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন

জাতীয় নির্বাচনের বাকি ২৬ দিন। এতে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ এক মাসও নেই। এমন একটা সময়ে সরকারের একজন উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী ও নির্বাচন কমিশন সচিবকে হঠাৎ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পরিষদে যুক্ত করা হয়েছে। নির্বাচনের ২৭ দিন অগে গত বুধবার এই তিনজনকে অতি গোপনে এমন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক নিয়োগ করা হয়। একই সঙ্গে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সাম্প্রতিক কিছু কর্মকা- নিয়ে জনমনে গভীর সংশয় ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের পর এবার সাংবাদিক ও বিশ্লেষকরাও এই নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু হবে কি না বা নির্দিষ্ট সময়ে হবে কি না, তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে বিমান কেনার কমিশন বাণিজ্যের জন্যই কী হঠাৎ করে অনবিজ্ঞ ব্যাক্তিদের বিমানের পরিচালক পদে নিয়োগ দেয়া হলো?

একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে অংশ নিয়ে সিনিয়র সাংবাদিক এম এ আজিজ বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমিকা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগে ‘যদি-কিন্তু’ দিয়ে কথা বললেও এখন একটি ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ বা সূক্ষ্ম পরিকল্পনা অনুযায়ী ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশনে’ যাচ্ছেন।

 

এর আগে গত বছরের ২৬ আগস্ট রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থাটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয় শেখ বশিরউদ্দীনকে। যিনি আগে থেকেই এই মন্ত্রণালয় অর্থাৎ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন। তাই খাতসংশ্লিষ্টরা আগে থেকেই একসঙ্গে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের কারণে স্বার্থসংঘাত (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) তৈরি হতে পারে বলে উল্লেখ করেছেন। এদিকে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে প্রাথমিকভাবে ১৪টি এয়ারক্রাফট কেনার প্রস্তুতি নিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। যদিও ২৫টি বোয়িং কেনার কথা রয়েছে। ইতিমধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে বোয়িংকে। গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর বিমান পরিচালনা পরিষদের ১৪টি বোয়িং কেনার ‘নীতিগত’ সিদ্ধান্ত হয় বলে গণ্যমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন কোম্পানির জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম। অনুমোদিত ১৪টি উড়োজাহাজের মধ্যে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স মডেলের। আর বহরে বর্তমানে ১৯টি মধ্যে ১৪টিই বোয়িংয়ের তৈরি। নতুন এয়ারক্রাফট কিনতে বাংলাদেশ বিমানের সম্ভাব্য ব্যয় হবে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা। বহরে যুক্ত হতে পারে ২০৩১ সালের শেষ থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাবেক পরিচালক নাফীজ ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, কিনতে যাওয়া এয়ারক্রাফটগুলো পাঠাতে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। তবে এসব এয়ারক্রাফটের বয়স ১৫ বছর হলে রক্ষণাবেক্ষণে খরচ অনেক বেড়ে যায়। ফুয়েল খরচও বাড়ে। তবে বোয়িং এয়ারক্রাফট এয়ারবাসের চেয়ে সাশ্রয়ী। তিনি বলেন, কার্গোতে লাভ বেশি। আর বিমান সমস্ত কার্গো ব্যবস্থাপনা করে। ফ্লিট এক্সপেনশনের মধ্যে কার্গো এয়ারক্রাফট যুক্ত করা উচিত।

বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রায় দীর্ঘ তিন বছর ধরে নিজ দেশের এয়ারক্রাফট বিক্রির লক্ষ্যে কূটনৈতিকভাবে তৎপর ছিল ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তির অংশ হিসেবে বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার কথা জানিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর অংশ হিসেবেই এবার নতুন এই সিদ্ধান্ত নিলো সরকার।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জানান, উপদেষ্টা থেকেও চেয়ারম্যানের পদে দায়িত্ব নেওয়া এবং নতুন করে অনভিজ্ঞদের পরিচালক নিয়োগ বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয় একই সূত্রে গাঁথা। এখানে অন্য কোন উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তারা। একই সঙ্গে যা আগামী দিনে বিমানকে আরো বিপর্যস্ত করতে পারে বলে মত সংশ্লিষ্টদের।
বিমান বর্তমানে একটি কঠিন সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি, বিদেশি মুদ্রার সংকট এবং প্রতিযোগী এয়ারলাইন্সের ভাড়া নীতির কারণে বিমানের টিকিট বিক্রি প্রভাবিত হয়েছে। শুধু তাই নয়, যাত্রী চাহিদা থাকলেও অনেক কমে ফ্লাইট ফাঁকা যাচ্ছে। আবার মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারে ভিসা জটিলতার কারণে যাত্রী পরিবহন হ্রাস পেয়েছে। ভারত, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরগামী ফ্লাইটেও প্রতিযোগী এয়ারলাইন্সের সেবা ও ভাড়া সুবিধার কারণে বিমানের যাত্রী হারাচ্ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিমানের লোকসান কয়েক হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে বলে অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে। একইসঙ্গে ঋণের বোঝাও বেড়ে চলেছে।

তাই নির্বাচনের আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান ও তিন পরিচালনা পরিষদের পরিচালক করা নিয়ে সর্বত্র প্রশ্ন উঠেছে। কেন বা কোন স্বার্থে তাদেরকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হলো। বিশেষত এই তিনজনের কারো এভিয়েশন ব্যবসার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বা অতীতে কোনো যুক্ততাও ছিল না। তার ওপর জাতীয় নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনের এই সময়ে নির্বাচন কমিশন সচিবের অন্যদিকে মনোযোগ দেওয়ার মতো সময়ও পাওয়ার কথা নয়। বাকি দুজনেরও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।
ইসি সচিব ও উপদেষ্টার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক সর্বত্রই আলোচনা, নির্বাচনের আগ মুহূর্তে ইসি সচিবকে বিমানের বোর্ডে পাঠানোর উদ্দেশ্য রহস্যজনক। সাংবাদিক এম এ আজিজ প্রশ্ন তোলেন, নির্বাচনের এই ক্রান্তিলগ্নে সচিবকে কেন সরানো হলো? এছাড়া জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, যার বিরুদ্ধে বিদেশি নাগরিকত্বের অভিযোগ রয়েছে, তাকে কেন একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠানের বোর্ডে রাখা হলো? তিনি তো রোহিঙ্গা সংকট সমাধানেও দৃশ্যমান কোনো ফল দেখাতে পারেননি। তিনি আরো অভিযোগ করেন, বিমানের এই রদবদলের নেপথ্যে আমেরিকার সাথে কোনো গোপন বিমান ক্রয় চুক্তি বা বড় অংকের লেনদেনের সম্পর্ক থাকতে পারে।
নেপথ্যে কি অন্য কোনো পরিকল্পনা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে এই নিয়োগ নিয়ে নানা গুঞ্জন ডালপালা মেলছে। অনেকে মনে করছেন, সরকার হয়তো নির্বাচনের চেয়েও দীর্ঘমেয়াদি কোনো লক্ষ্য বা ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ নিয়ে এগুচ্ছে। কারো কারো মতে, বিমানের সঙ্গে আমেরিকার কোনো গোপন চুক্তি বা বড় অংকের কেনাকাটার যে গুঞ্জন রয়েছে, তা তদারকি করতেই কি এই বিশ্বস্ত কর্মকর্তাদের সেখানে বসানো হলো?
সিনিয়র সাংবাদিক ও বিশ্লেষক মোস্তফা ফিরোজ বলেছেন, যদি নির্বাচন ঠিক সময়ে হওয়ার কথা থাকে, তবে ২৭ দিনের জন্য এই কর্মকর্তাদের বিমানে বসানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। এই নিয়োগ কি তবে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে নির্বাচন পিছিয়ে যেতে পারে? অথবা সরকারের মেয়াদ কি আরো দীর্ঘ হতে যাচ্ছে?
তিনি তাঁর বিশ্লেষনে বলেন, প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে- ‘জনস্বার্থে’ এই নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর হবে। তিনি প্রশ্ন তুলছেন, ইসি সচিবকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে বিমানের ফাইল দেখতে পাঠানো কোন ধরনের জনস্বার্থ? যেখানে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে কথা বলছেন, সেখানে এই ধরনের নিয়োগ সন্দেহকে আরো ঘনীভূত করছে। একই সঙ্গে বিমানের মতো একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ প্রয়োজন, আমলাতন্ত্র নয়।
বিশ্লেষক মোস্তফা ফিরোজ বলেন, জাতীয় নির্বাচনের মতো বিশাল কর্মযজ্ঞের প্রশাসনিক প্রধান হলেন ইসি সচিব। ব্যালট পেপার ছাপানো থেকে শুরু করে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে তিনি। এই মহাব্যস্ত সময়ে তিনি বিমানের ব্যবসায়িক কর্মকা-ে সময় দেবেন কীভাবে? এতে কি নির্বাচনের প্রস্তুতি বিঘিœত হবে না?
একই প্রশ্ন রেখেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে নিয়ে। একদিকে যখন রোহিঙ্গা ইস্যু ও আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি নিয়ে দেশের ওপর নানামুখী চাপ, তখন তাকে কেন বিমানের বোর্ডে যুক্ত করা হলো? বিমান এভিয়েশন খাতের বিশেষজ্ঞ না হয়েও এমন নিয়োগকে অনেকে ‘ফ্রি-স্টাইল’ শাসন বা ‘সমন্বয়হীনতা’র চরম বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষক মোস্তফা ফিরোজ।
গত বুধবার জারি করা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পরিষদে পরিবর্তন আনা হয়। পরিচালক পদে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং রোহিঙ্গাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেনটেটিভ খলিলুর রহমান (উপদেষ্টা পদমর্যাদা), ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ বিমান আইন, ২০২৩-এর ধারা ৩০ (বি)-এর আওতায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের পরিচালনা পরিষদের পরিচালক পদে তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

আরেক প্রজ্ঞাপনে বিমানের পরিচালনা পরিষদ থেকে দুজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ এবং ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর-ই খোদা আব্দুল মোবিন। হঠাৎ তিনজনকে বিমানে পরিচালনা পরিষদে আনা নিয়ে বিভিন্ন মহলে ও সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকে বলছেন, পরিচালনা পরিষদে এমন তিনজনকে যুক্ত করা হয়েছে, যাঁদের একজন জাতীয় নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত, একজন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনায় ব্যস্ত। আরেকজন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয় নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।
এ বিষয়ে বিমানের পরিচালনা পরিষদের সাবেক সদস্য কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, এ সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হলো, তা বোঝা কঠিন। তিনি বলেন, এমন তিনজনকে পরিচালনা পরিষদে যুক্ত করা হয়েছে, তিনজনই এই মুহূর্তে রাষ্ট্রীয় কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত। তাঁরা নিজেদের কাজ করে কখন আবার বিমানে সময় দেবেন। তা ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারেরও মেয়াদ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। হয়তো বিমান নিয়ে সরকারের কোনো বড় ধরনের চিন্তা বা পরিকল্পনা থাকতে পারে। কিন্তু সেটা নির্বাচনের মাত্র এক মাস আগে কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকবেই।
বিমানকে সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালনার লক্ষ্যে এটিকে ২০০৭ সালে কোম্পানি করা হয়। শতভাগ সরকারি মালিকানাধীন এই কোম্পানিকে লাভজনক করার জন্য তখন বিভিন্ন উদ্যোগও নেওয়া হয়। কিন্তু স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এটাকে ক্রমেই আবার আমলানির্ভর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হয়।
বিমানের পরিচালনা পরিষদে শেখ বশিরউদ্দীন চেয়ারম্যান। ১৩ সদস্যের এ পরিষদের অন্য সদস্যরা হলেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব, অর্থসচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সহকারী বিমানবাহিনীর প্রধান (পরিচালন), অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট আলী আশফাক। (সূত্র: ইনকিলাব)

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments

বিজ্ঞাপন

সর্বশেষ খবর

আর্কাইভ