হার্টের সমস্যা শুধু বড়দের নয়, শিশুদের মধ্যেও দেখা দিতে পারে। শিশুদের হৃদরোগ মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে—একটি জন্মগত (সায়ানোটিক) এবং অন্যটি জন্মের পর হওয়া (নন-সায়ানোটিক) সমস্যা। জন্মগত সমস্যার ক্ষেত্রে শুরু থেকেই চিকিৎসা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আর নন-সায়ানোটিক সমস্যায় শিশুর ওজন না বাড়া, খাওয়ার সময় ঘামানো, খাওয়া কমে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিতে পারে। কখনও কখনও এর বিপরীতও হতে পারে।
চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, যদি শিশুর ওজন অতিরিক্ত বেড়ে যায় এবং স্থূলত্ব দেখা দেয়, তা হলে ভবিষ্যতে ডায়াবিটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। অনিয়মিত খাবার, সুষম আহারের অভাব এবং খেলাধুলার কমতি শিশুর শরীরে পেট ও কোমরে চর্বি জমার কারণ হয়। এর ফলে হজমে সমস্যা, গ্যাস ও অম্বল দেখা দেয়। এই ধরনের পরিস্থিতিকে ‘মেটাবলিক সিনড্রোম’ বলা হয়, যা পরবর্তীতে হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ায়।
এছাড়াও, একটি অভ্যাস শিশুর হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে, যা অনেক অভিভাবক সচেতন নন। শিশুদের স্ক্রিন টাইম বা টিভি/মোবাইল ব্যবহারের সময় যদি বেশি হয়, তা শুধু মানসিক সমস্যা নয়, হৃদরোগের ঝুঁকিও বৃদ্ধি করে। অ্যামেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, বেশি স্ক্রিন টাইমের শিশুরা উচ্চ রক্তচাপ, কোমরের আকার বৃদ্ধি, কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়া এবং ইনসুলিনের প্রভাব কমে যাওয়া সমস্যা বেশি ভোগে। এগুলো সব হার্টের অসুখের সঙ্গে পরোক্ষভাবে যুক্ত।










