এ ছাড়া দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের তারপাশা গ্রামের আবু সর্দারের ছেলে মো. নুরুজ্জামান সর্দার ময়না (৩২), মৃত কারি ইসলাম উদ্দীনের ছেলে মো. সাহান এহিয়া (২২), আব্দুল গণির ছেলে মো. সাজিদুর রহমান (২৬), রাজানগর ইউনিয়নের রনারচর গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে মুজিবুর রহমান (৪০) মারা গেছেন। মৃত্যুর পর তাদের মরদেহ সাগরে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের ফাহিম নামের আরেক যুবকও মারা যান।
জগন্নাথপুরের চিলাউড়া গ্রামের বাসিন্দা ঝিনুক মিয়া বলেন, আমার ভাই নাঈম আহমদকে গেইমঘরে নিয়ে সাগরে নৌকায় তুলেছিল দালালের লোকজন। আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না কয়েকদিন ধরে। আজ শুনেছি সে সাগরে মারা গেছে। আমরা দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি।
জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বকুল বলেন, আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি আমার ইউনিয়নের নাঈম আহমদ ও মনির মিয়া নামের দুই যুবক সাগরে মারা গেছে। তারা গ্রিসে যেতে দালালকে মোটা অংকের টাকা দিয়েছিল। এখন পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে গেছে। সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের পুলিশ পরিদর্শক (ডিআইও-১) মো. আজিজুর রহমান বলেন, আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি দিরাই ও জগন্নাথপুরে ৮ জন মারা গেছেন। তবে লোকজন আরো দুইজন মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন। আমরা খোঁজ-খবর নিচ্ছি।









