বৃষ্টির দেখা নেই, তীব্র রোদ, তারওপর ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে তাপমাত্রা। প্রচণ্ড গরমে রাজধানীতে জনজীবনে হাঁসফাঁস অবস্থা বিরাজ করছে। গরম আর ঘামে নগরজীবনে নেমে এসেছে অস্বস্তি ও ক্লান্তি। এ অবস্থায় বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ রোববার রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েকদিনে এই গরম অব্যাহত থাকতে পারে। এ মাসের শেষের দিকে বৃষ্টি বাড়তে পারে, তখন গরম কিছুটা কমতে পারে।
বিকেলে রাজধানীর রামপুরা ব্রিজে কথা হয় রিকশাচালক শাহেদ আলীর সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমার প্যাডেলচালিত রিকশা। গরমের কারণে বেশিক্ষণ চালাতে পারি না। অল্প কিছুক্ষণ চাপলেই হাঁপিয়ে যাই। সকালে বের হয়ে কিছুক্ষণ চালিয়ে আবার গ্যারেজে চলে গেছি। ভাবছি বিকেলে বা সন্ধ্যায় গরম কমবে, কিন্তু কমছে না। ঘেমে বারবার জামা ভিজে যাচ্ছে।’
শুধু শ্রমজীবী নয়, অফিসগামী, শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষই গরমে অস্বস্তিতে পড়েছেন। গণপরিবহনে ভিড়ের মধ্যে গরম আরও অসহনীয় হয়ে উঠছে। অফিস ফেরত রবিউল আলম বলেন, ‘বাসে সিট ফাঁকা থাকে না এসময়। এই ভিড়ের মধ্যে গরমে অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। ঘামতে ঘামতে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছি।’রাজধানীর চৌধুরীপাড়ায় কথা হয় পথচারী রাজিব হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘রাস্তায় যানজট। লোকাল বাসে এত ভিড়, গরমে খুব কষ্ট হয়। হেঁটে যাচ্ছি, তবুও গরমে শরীর ভিজে যাচ্ছে।’এদিকে গরমে রাস্তায়-ফুটপাথে ঠান্ডা শরবত বিক্রি বেড়েছে। লেবুর শরবত, আখের রসের দোকানে তৃষ্ণার্ত মানুষের ভিড় বেড়েছে। রামপুরা ব্রিজ সংলগ্ন পুলিশ বক্সের সামনে লেবুর শরবত বিক্রি করছিলেন শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গরমের কারণে শরবতের চাহিদা বেড়েছে। এখন লেবুর দামও চড়া হচ্ছে। তীব্র গরমে কেউ কেউ দুই গ্লাস শরবতও খাচ্ছেন। প্রতি গ্লাস শরবত ১০ টাকা ও ২০ টাকা দুইভাবে বিক্রি করি।’









