ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যেকার যুদ্ধ পরিস্থিতি নিরসনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শুরু হওয়া শান্তি প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে ইরানি প্রতিনিধি দল শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে।
এদিকে, মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান আশা করছে, শুক্রবারের এই প্রাথমিক আলোচনা সফল হলে তা অচিরেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আনুষ্ঠানিক আলোচনার পথ প্রশস্ত করবে। যদিও ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত প্রথম দফার আলোচনা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি, তবুও ইসলামাবাদ আশাবাদী যে পরোক্ষ এই আলোচনার মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যকার বরফ গলতে শুরু করবে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, এই সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা ইরান—কোনো পক্ষই জনসমক্ষে কোনো মন্তব্য করেনি। বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি আলোচনায় না বসার এই সিদ্ধান্ত ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, দুই দেশের মধ্যে এখনও গভীর আস্থাহীনতা বিদ্যমান। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মতো অমীমাংসিত বিষয়গুলো এই কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলছে।
তবে পাকিস্তান যেভাবে উভয় পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ধরে রাখার চেষ্টা করছে, তা আন্তর্জাতিক মহলে ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে। পরবর্তী দফার সরাসরি আলোচনা কবে নাগাদ শুরু হতে পারে, তা মূলত আজকের এই ত্রিপক্ষীয় ও পরোক্ষ যোগাযোগের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে।









