ম্যাকগ্রেল বলেন, ‘আমি আনন্দিত যে তিনি (ফ্ল্যানাগান) তার রেকর্ডটি ধরে রাখতে পেরেছেন। সুতরাং তিনি এখনও বিশ্বের সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠের নারী এবং আমি বিশ্বের সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠের পুরুষ।’
২০১৭ সালে ক্যানবেরার অফিসিয়াল ঘোষক হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার পর তিনি প্রতিযোগিতামূলকভাবে উচ্চকণ্ঠী হয়ে ওঠেন। এটি স্থানীয় সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি সম্মানসূচক এবং খণ্ডকালীন ভূমিকা, যাকে তিনি ’একটু মজা’ হিসেবে বিবেচনা করেন। শহরের ঘোষক হিসেবে তার নাম ‘লর্ড জোসেফ’। তিনি বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান, স্কুলের মেলা এবং গাড়ি প্রদর্শনীতে ঘোষণা দেন। ম্যাকগ্রেল-বেটাপ জানান, শহরের ঘোষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর এ ব্যাপারে আগের রেকর্ড খুঁজতে গিয়ে তিনি ঘটনাক্রমে ফ্ল্যানাগানের রেকর্ডের সন্ধান পান।
বিশ্বরেকর্ডের চেষ্টার জন্য ‘নাও’ শব্দটি চূড়ান্ত করার আগে তিনি বেশ কয়েকটি শব্দ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছিলেন। গত ২ মে ক্যানবেরার একটি রেডিও স্টুডিওতে একজন পেশাদার শাব্দিক প্রকৌশলী সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তার ‘নাও’ চিৎকার রেকর্ড করেছিলেন। ফাইলগুলো গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের কাছে পাঠানো হয়, যারা গত শুক্রবার ম্যাকগ্রেলের রেকর্ডটি ঘোষণা করে।
এর আগেও ম্যাকগ্রেল-বেটাপ আরেকটি বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি ৬০.০৩ সেকেন্ডে ১০টি তীর ছুড়ে রেকর্ড গড়েছিলেন। তবে নয় মাস পর, ৭ বছর বয়সীেএক ছেলে ম্যাকগ্রেল-বেটাপের রেকর্ডটি ১১.৪ সেকেন্ডের ব্যবধানে ভেঙ্গে দেয়। তবে তীরন্দাজির রেকর্ডটি পুনরুদ্ধার করতে বা চিৎকারের রেকর্ডটি ধরে রাখার ব্যাপারে ম্যাকগ্রেলের তেমন আগ্রহ নেই। তিনি বলেন, ’কেউ যদি আমাকে ছাড়িয়ে যায়, তবে তা চমৎকার হবে। রেকর্ড তো গড়াই হয় ভাঙার জন্য।’
-কালের কষ্ঠ










