সোমবার | ২৯ জুন, ২০২৬ | ১৫ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৩ মহর্‌রম, ১৪৪৮

ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনজীবনে নাভিশ্বাস

যোগাযোগ ডেস্ক:

তীব্র দাবদাহে পুড়ছে দেশ। এর মধ্যেই ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে নাভিশ্বাস উঠেছে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় অধিকাংশ গ্রামগুলোতে দিনে ৮-১০ বার লোডশেডিং হচ্ছে। একবার বিদ্যুৎ গেলে যেন আর আসতে চায় না। এতে সেবাগ্রহীতাদের মাঝে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি গত একমাস ধরে লোডশেডিংয়ে কারণে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়াসহ দৈনন্দিন কাজে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এদিকে বিদ্যুতের সঙ্গে গ্যাসের সংকটও দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে রয়েছেন কৃষকরা। বিদ্যুৎ না থাকায় তারা ফসলের জমিতে সেচ দিতে পারছেন না। উপজেলার ভিটিবাড়ী, দাওগাঁও, বড়গ্রাম, গাবতলী বাজার, রসুলপুর, বনগ্রাম, রামভদ্রপুর, খেরুয়াজানী দুল্লা, চেচুয়া, বিন্নাকুড়ি, বড়গ্রামে দিন-রাত মিলিয়ে অন্তত ১০-১২ বার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার হচ্ছে উপজেলাবাসী। তবে গত এক সপ্তাহে বিদ্যুতের এ সমস্যা তীব্র আকার ধারণ করেছে বলে জানান তারা। জানা গেছে, উপজেলার কুমারগাতা, মনকোনা, কাশিমপুর, বাসাটি ইউনিয়নে প্রতিদিন গড়ে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে।এছাড়া সংস্কারের নামে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখায় ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। কনফেকশনারি ব্যবসায়ী লিজন রহমান বলেন, পৌর শহরেও ঠিকমতো বিদ্যুৎ থাকছে না। লোডশেডিংয়ের কারণে দোকানের মালামাল নষ্ট হওয়ার পথে।

বড়গ্রামের বাসিন্দা লাইলা খাতুন জানান, বিদ্যুৎ এত অল্প সময় থাকে যে, মনে হয় আমাদের এলাকায় বিদ্যুৎ যায় না, মাঝে মধ্যে আসে।

ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জিএম শহীদ উদ্দিন জানান, জ্বালানি সরবরাহ কম থাকায় বিদ্যুৎ প্ল্যান্টগুলোতে উৎপাদন কম হচ্ছে, আবার কিছু প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। শুধু মুক্তাগাছায় বিদ্যুতের চাহিদা ৪০-৪৫ মেগাওয়াটের বিপরীতে ২২-২৫ মেগাওয়াট সরবরাহ করতে পারছি। গরম কমে গেলে বা বৃষ্টি হলে এমন পরিস্থিতি সহনশীল পর্যায়ে চলে আসবে। ময়মনসিংহের ভালুকায় চাহিদার তুলনায় অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহে বেড়েছে লোডশেডিং। এতে জনজীবন বিপর্যস্তের পাশাপাশি শিল্প উৎপাদনে যোগ হচ্ছে বাড়তি খরচ।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted

বিজ্ঞাপন

সর্বশেষ খবর

আর্কাইভ