ভোরের আলো ফুটতেই কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়ার বিআইডব্লিউটিএ ঘাটে বাড়তে থাকে পর্যটকদের আনাগোনা। হাতে ব্যাগ, চোখে নতুন গন্তব্যের স্বপ্ন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এসব ভ্রমণপিপাসু মানুষের গন্তব্য নীল জলরাশি আর প্রবাল পাথরের অপূর্ব সৌন্দর্যে ঘেরা সেন্টমার্টিন। দীর্ঘ বিরতি শেষে আবারো সমুদ্রপথে প্রবাল দ্বীপে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত পর্যটকরা।
সেন্টমার্টিন দ্বীপে জাহাজের যাত্রা নিয়ে অবশেষে ধোঁয়াশা কেটেছে। নানা অনিশ্চয়তা ও নাটকীয়তার পর কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতির পর বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে এমভি বার আউলিয়া জাহাজ ৮৩৬ পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টায় হুইসেল বাজিয়ে ঘাট ছাড়ে এমভি বারো আউলিয়া। সমুদ্রের ঢেউ ভেঙে প্রবাল দ্বীপের পথে শুরু হয় যাত্রা।প্রথম দিন এমভি বার আউলিয়া সেন্টমার্টিন যাত্রা শুরু করেছে। অনুমতি পাওয়া বাকি দুটি জাহাজ শুক্রবার থেকে পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিন চলাচল শুরু করবে বলে জানিয়েছেন সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ মালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর।
স্কোয়াব সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, এবার পর্যটন মৌসুমে জাহাজ চলাচলের অনুমতি পেয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠান। তবে প্রথম দিনে যাত্রা শুরু করেছে বার আউলিয়া জাহাজটি। পর্যটক পরিবহনের সুযোগ সীমিত থাকলেও জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় আশাবাদী পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। সবার প্রত্যাশা, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে দ্বীপকেন্দ্রিক পর্যটন কার্যক্রম।
বাহাদুর আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাত্রা শুরুর কথা থাকলেও নানা জটিলতায় এবার পাঁচ দিন পিছিয়ে ৫ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে জাহাজ চলাচল। যাত্রার আগে অগ্নিনিরাপত্তাসহ জাহাজের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করে প্রশাসন।









