সবশেষ দল হিসেবে এবারের বিপিএলে যুক্ত হয় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই দলটা বেশ ভালোভাবেই গুছিয়ে নিয়েছে তারা। মাজ সাদাকাত, হাবিবুর রহমান সোহান, জাকের আলী, অঙ্কন, ইহসানউল্লাহ, হাসান মাহমুদদের নিয়ে বেশ শক্তিশালী স্কোয়াড করেছে নোয়াখালী।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু পায় চট্টগ্রাম। মির্জা তাহির বেগের ৮০ ও শেখ মেহেদীর ২৬ রানের ক্যামিওতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রানের পুঁজি পায় বন্দর নগরীর দলটি। জবাব দিতে নেমে ১৬.৫ ওভারে ১০৯ রানে অলআউট হয়ে যায় নোয়াখালী এক্সপ্রেস।
জবাব দিতে নেমে ভালো শুরু পায় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। স্কোরবোর্ডে ২৩ রান যোগ হতেই বিদায় নেন হাবিবুর রহমান সোহান। ৭ বলে ১৫ রান করে শরিফুল ইসলামের বলে মাসুদ গুরবাজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। সাব্বির হোসেন ও সৈকত আলীও টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ। পাওয়ারপ্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৪২ রান যোগ করে নোয়াখালী এক্সপ্রেস।
জাকের আলী অনিকও ফিরেছেন দ্রুতই। ১২ বল খেলে মাত্র ৬ রান করে শেখ মেহেদীর বলে মোহাম্মদ নাঈমের হাতে ক্যাচ তুলে দেন এই ব্যাটার। এক প্রান্ত আগলে রেখে একাই লড়াই করেছেন মাজ সাদাকাত। দলীয় ৮৬ রানের মাথায় আবু হায়দারের বলে তানভীর ইসলামের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই ব্যাটার। ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২৭ বলে ৩৮ রান।
এরপর লড়াই করার চেষ্টা করেন হায়দার আলী। তবে ২৪ বলে ২৮ রান করেই সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে। দলীয় ১০০ রানের মাথায় তানভীর ইসলামের বলে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই ব্যাটার।
এরপর ইনিংস বড় করতে পারেননি আর কোনো ব্যাটার। ৯ রানের ব্যবধানেই তারা হারায় ৪ উইকেট। হাসান মাহমুদ ও ইহসানউল্লাহ ফেরেন শূন্য রানেই। মেহেদী হাসান রানা ২ ও জহির খান করেন ১ রান। শেষ পর্যন্ত ১৯ বল বাকি থাকতে ১০৯ রানে অলআউট হয়ে যায় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। চট্টগ্রামের হয়ে তানভীর ইসলাম নেন ৩ উইকেট। এছাড়া শরিফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান ও মুকিদুল ইসলাম নেন ২টি করে উইকেট।










