শরীয়তপুরের ডামুড্যার ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাস মারা গেছেন। আজ শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ডামুড্যার তিলই এলাকায় খোকনকে কুপিয়ে আহত করা হয়। এরপর দুর্বৃত্তরা তাঁর গায়ে পেট্রল–জাতীয় দ্রব্য দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে রাতে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
খোকন চন্দ্র উপজেলার কেউরভাঙা বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী ও এজেন্ট ব্যাংকিং করতেন।
নিহত খোকন দাসের ভাগনিজামাই প্রান্ত দাস বলেন, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন খোকন চন্দ্র দাস। আজ শনিবার ভোরের দিকে হঠাৎ তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। সকাল সাড়ে সাতটার দিকে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
প্রান্ত দাস বলেন, ‘আইনি প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য আমরা শাহবাগ থানায় আছি। আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত শেষে লাশ নিয়ে গ্রামের দিকে রওনা হব। আজই গ্রামের বাড়িতে তাঁকে সমাহিত করা হবে।’ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের বিভাগীয় প্রধান বিধান সরকার মুঠোফোনে বলেন, খোকন চন্দ্র দাস নামের এক রোগীকে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। তাঁর শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি আজ সকালে মারা গেছেন।










