তিনি দাবি করেন, চিকিৎসার জন্য ঝিলিক ও তার স্বামী হাসপাতালে গিয়েছিলেন। সেখানে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে স্বামী তাকে অষ্টম তলা থেকে ফেলে দেন।
তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখন পর্যন্ত প্রাথমিক তদন্তে হত্যার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মেলেনি।
ধানমণ্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে হত্যার কোনো প্রমাণ পাইনি। ময়নাতদন্ত হয়েছে। মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ তদন্তের অন্যান্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হবে।
উল্লেখ্য, আসমা ঝিলিক কয়েক বছর আগে নিয়মিত অভিনয় করলেও পরবর্তীতে শোবিজ অঙ্গন থেকে দূরে সরে যান। পারিবারিক জীবনে মনোযোগ দেওয়ার জন্য তিনি অভিনয় ছেড়েছিলেন বলে জানা গেছে।










