চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় পদ্মা নদীতে ১২ জন যাত্রী নিয়ে একটি নৌকাডুবির (ইঞ্জিনচালিত ডিঙি) ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ১০ জন যাত্রীকে উদ্ধার করেছে বিএসএফ।
এ ছাড়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরে একজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এখনো আরো একজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পরে উদ্ধার যাত্রীদের বিজিবি-বিএসএফ কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে দেশে ফেরত এনে জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে তাঁদের স্বজন ইসমাইল হোসেনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের পদ্মা নদীর বাখর আলী ঘাট থেকে সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী নারায়ণপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জোহরপুর গ্রামে যাওয়ার পথে এ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়, পুলিশ ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের সাদ্দামের চর এলাকায় নৌকা ডুবার পর নদীতে ভেসে যাওয়া একটি ২০ দিনের শিশুসহ ১০ জনকে সন্ধ্যায় উদ্ধার করেছে নদীতে স্পিডবোটে টহল দেওয়া বিএসএফ সদস্যরা।
একজন পুরুষ সাঁতরে বাংলাদেশি ভূখণ্ডের তীরে উঠেছে। এ ঘটনায় ওই এলাকার আলতাফ হোসেনের ছেলে মো. মোস্তফা (৬০) নিখোঁজ রয়েছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৫৩ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ফরিদপুর বিওপির আওতাধীন এলাকায় নৌকাডুবিতে নিখোঁজ ১০ জনকে উদ্ধার করেছে বিএসএফ। তাঁরা ৭১ বিএসএফ ব্যাটলিয়নের খান্দুয়া ক্যাম্পের হেফাজতে রয়েছেন।
নবজাতক শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নৌকাডুবিতে নিখোঁজ একজন বাংলাদেশে উদ্ধার হয়েছেন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন, এমন জানা গেছে। এ ব্যাপারে বিএসএফের সঙ্গে বিজিবি যোগাযোগ করেছে। যত দ্রুত সম্ভব বিএসএফের উদ্ধারকৃত ১০ জনকে দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে।
পরে রাত ১২টার দিকে তিনি জানান, রাত ১০টার দিকে ফরিদপুর বিওপি কমান্ডার ও ৭১ বিএসএফের খান্দুয়া ক্যাম্প কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে উদ্ধারদের দেশে ফেরত এনে জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে তাঁদের স্বজন ইসমাইল হোসেনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।









