বরিশালের মুলাদীতে স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমের জেরে এক কৃষককে খুন করে ঘরের পাশে মাটিতে পুঁতে রাখার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৯ জুন) বেলা দেড়টার দিকে উপজেলার চরমালিয়া গ্রামে নিহতের নিজ বাড়ির রান্নাঘর সংলগ্ন এলাকা থেকে মাটি খুঁড়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত কৃষকের নাম হারুন হাওলাদার (৫৯)। তিনি চরমালিয়া গ্রামের মৃত অছিমদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।
ঘটনার পর জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের স্ত্রী সেলিনা বেগমকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ লুকিয়ে রেখে নিখোঁজের নাটক সাজিয়েছিলেন ওই নারী।
গত শুক্রবার রাতে হঠাৎ নিখোঁজ হন তিনি। এরপর থেকেই তার স্ত্রী সেলিনা বেগম দাবি করে আসছিলেন যে, গভীর রাতে অজ্ঞাতপরিচয় কিছু লোক হারুন হাওলাদারের হাত ও চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গেছে এবং একটি ট্রলারে করে পালিয়ে গেছে। এই সাজানো ঘটনাকে সত্য প্রমাণ করতে সেলিনা বেগম তার ছেলে জাফর হাওলাদারকে দিয়ে গত শনিবার রাতে মুলাদী থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করান।
নিজের সাজানো ওই অপহরণ মামলায় সেলিনা বেগম নিজেই প্রধান সাক্ষী হয়েছিলেন।
পুলিশ সূত্র থেকে জানা গেছে, গত শনিবার ভোরে সফিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হেলাল ব্যাপারী মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হারুন হাওলাদারের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি প্রশাসনকে জানান। খবর পেয়ে ওই দিন সকালেই মুলাদী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) তারেক আমান বান্নাসহ থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।










