১৯ জুলাই রাতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই স্পেনের তারকাদের উচ্ছ্বাসে যখন মেতে উঠেছিল ফুটবল বিশ্ব, ঠিক তখনই বিপরীত এক দৃশ্য ধরা পড়ে লিওনেল মেসির মুখে।
গ্যালারি থেকে হাজারো আর্জেন্টাইন সমর্থক মেসির নাম ধরে গান গাইলেও ৩৯ বছর বয়সী এই কিংবদন্তিকে দেখা যায় নীরব, বিষণ্ন ও আবেগাক্রান্ত। অনেকের কাছেই এটি ছিল বিশ্বকাপের মঞ্চে মেসির সম্ভাব্য শেষ উপস্থিতির প্রতীকী মুহূর্ত।
আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি, মেসির মতো টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের চেষ্টা করছিলেন, টুর্নামেন্টে কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড মেসির এটাই শেষ ম্যাচ কী না, সে প্রশ্নে অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।
একই সঙ্গে ডিসেম্বর মাসে মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও ভাবছিলেন তিনি। স্কালোনি বলেন, তিনি মেসির সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেননি। এরপর তিনি নিজেই কাঁদতে শুরু করেন এবং সংবাদ সম্মেলন ছেড়ে চলে যান।
১৬ বছর বয়সে বার্সেলোনায় অভিষেকের পর থেকে মেসি অন্তত পাঁচবার নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছেন। আজকের আর্জেন্টিনা এবং ইন্টার মায়ামির মেসি সেই দীর্ঘ পরিবর্তনেরই ফসল।
৩৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপ খেলতে নেমে তিনি তার পায়ের জাদু দেখিয়ে মুগ্ধ করেছেন বিশ্বের ফুটবল প্রেমীদের।
গতরাতে ফাইনালে মেসির অবিস্মরণীয় বিশ্বকাপ যুগের অবসান ঘটে। তার পক্ষে আগামী ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ খেলা অসম্ভব। সেই পর্যন্ত ফিটনেস ধরে রেখে পারফর্ম করে যাওয়া মোটেও সহজ নয়।
ম্যাচের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনার আক্রমণাত্মক মনোভাবের মাশুল গুনেছেন মেসি ও তার দল। ফল হিসেবে শিরোপা ছাড়াই বিশ্বমঞ্চে নিজের সম্ভাব্য শেষ ম্যাচটি খেলেছেন আর্জেন্টাইন মহানায়ক।









