গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালককে হত্যার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রস্তুত হয়েছে। রিপোর্ট দেখে হত্যার লোমহর্ষক কিছু তথ্য প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা।
গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালীগঞ্জ সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, নিহতদের দ্রুত ময়নাতদন্তের পর আজ প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গত শনিবার রাতে শারমিন খানমের বাবা নিহতের স্বামী ফোরকান মোল্লাকে (৪০) প্রধান করে অজ্ঞাত চারজনের নামে হত্যা মামলা করেছেন। ফোরকান মোল্লাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনসহ (পিবিআই) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট কাজ করছে।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার (৯ মে) সকালে জেলার কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী মজিবুর রহমানের একটি আবাসিক ভবনের নিচতলার দুটি কক্ষ থেকে ওই পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তারা গোপালগঞ্জ জেলা সদর থেকে জীবীকার তাগিদে গাজীপুরে বসবাস করতেন। দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে পরিকল্পিতভাবে স্ত্রী, তিন কন্যা ও শ্যালককে হত্যা করে অভিযুক্ত ফোরকান মিয়া। এ সময় মরদেহের পাশে একটি চিরকুটে সবাইকে মেরে ফেলার কথা লিখে যায় ফুরকান। এ ছাড়া, স্ত্রীর বিরুদ্ধে ফুরকানের লেখা একটি অভিযোগপত্রও পাওয়া যায়।










