চট্টগ্রামে চার বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি মো. মনির হোসেন। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সিদ্দিকের আদালতে জবানবন্দি দেন আসামি। পরে তাকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এর আগে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দুপুরে তাকে চট্টগ্রাম আদালতে নিয়ে যায় পুলিশ। সকালে নগরের বাকলিয়া থানায় মনিরকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন ভিকটিম শিশুর বাবা। আসামি মনির কুমিল্লার মুরাদনগর থানার বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ড ঘারঘাটা এলাকার মো. আলমের ছেলে।
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের জনসংযোগ কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার আমিনুর রশিদ বলেন, ধর্ষণের শিকার শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। সেই মামলায় আসামিকে পুলিশ আদালতে পাঠিয়েছে। রাতে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ, গাড়িতে আগুন ও মারামারির ঘটনায় এখনও মামলা দায়ের করা হয়নি। এ নিয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ভিকটিম শিশুটির মা গার্মেন্টেসে চাকরি করেন। বৃহস্পতিবার গার্মেন্টেসে যাওয়ার আগে শিশুটিকে তার নানির বাসায় রেখে যান। নানির বাসার সামনে খেলার সময় তাকে পাশের এক গুদামে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মনিরকে আটক করতে ৯৯৯ এ ফোন করেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে বাকলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামিকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে রাতে কয়েক দফায় স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে পুলিশের সংর্ঘষ হয়। পুলিশ ফাঁকা গুলি, টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। তাদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ দুই সাংবাদিকসহ অন্তত ১৫-২০ জন আহত হন। বেশ কয়েকজন পুলিশও ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন।










