ফলে শীতে উপযুক্ত পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে নভেম্বর বা ডিসেম্বরের দিকে ভোটগ্রহণ শুরু হতে পারে।এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, সরকারের পরিকল্পনা হলো আগামী এক বছরের মধ্যে পাঁচ স্তরের (ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন) স্থানীয় নির্বাচন সম্পন্ন করা। বাজেট প্রাপ্তির ওপর ভিত্তি করে প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন হতে পারে, যা সম্পন্ন করতে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা খরচ হতে পারে। নতুন অর্থবছরের বাজেট পাসের পর স্থানীয় সরকার বিভাগ, ইসি এবং অর্থ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে বসে নির্বাচনের চূড়ান্ত তফসিল নিয়ে আলোচনা করবে।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘আমাদের সামনে এখন বিধিমালা সংশোধনের কাজ রয়েছে। প্রয়োজনে অংশীজনদের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে। আশা করি আগামী এক বছরের মধ্যেই আমরা স্থানীয় নির্বাচনগুলো সম্পন্ন করতে পারব।’
নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘এমনটা আমরা ভাবছি না। তবে সময় আসুক, তখন কমিশন বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’