বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় থানার ভেতরেই দুই ভাইয়ের মধ্যে টানাটানি, হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ভাঙ্গা থানায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে ওই নারীকে নিয়ে ছোট ভাই সাভারে আত্মগোপন করেছিলেন বলে অভিযোগ পরিবারের।
দুই ভাই হলেন- বাড়ি ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের বালিয়াচরা গ্রামের আজিজুল হকের বড় ছেলে একরাম আলী ও ছোট ভাই আব্দুল্লাহ।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা ড়েছে, একরাম আলী পার্শ্ববর্তী গ্রামের এক নারীকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন। বিয়ের পর একরামের ছোট ভাই আব্দুল্লাহ সঙ্গে ওই নারী পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এরপর ১৯ আগস্ট সকালে ওই নারীর সঙ্গে থাকা বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে ঢাকা সাভারে পালিয়ে আত্মগোপন করেন আব্দুল্লাহ। শনিবার দুপুরে পালিয়ে যাওয়া নারীর বাবা ও বড় ভাই সাভার থেকে তাদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা থানায় নিয়ে আসেন। তাদের ভাঙ্গা থানা চত্বরে আনার পর দুই ভাই ওই নারীসহ পরিবারের মধ্যে তুমুল টানাটানি-মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই নারীর বাবা বলেন, মেয়েকে উদ্ধার করে বিষয়টি আইনি ও সামাজিকভাবে সমাধানের উদ্দেশ্যে উভয়পক্ষকে নিয়ে থানায় জড়ো হই। থানা প্রাঙ্গণে উভয়পক্ষের আত্মীয় স্বজন ও স্থানীয় জনতার উপস্থিতিতে এক পর্যায়ে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের মোবাইল কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু জাগো নিউজকে বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। থানার সব ঘটনা আমাকে তারা জানায় না।










