বিসিবির আয়োজনে এখন টুর্নামেন্ট হয় চারটি—দুটি প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) চার দিনের সংস্করণ।
তবে সর্বোচ্চসংখ্যক ক্রিকেটারকে কিভাবে আর্থিকভাবে উপকৃত করা যায়, সেটিই বোর্ডের সঙ্গে বৈঠকে তুলে ধরেছিলেন ক্রিকেটাররা।
ক্রিকেটারদের এই দাবি কার্যকর করতে গেলে ভবিষ্যতে বড় অঙ্কের অর্থই গুনতে হবে বোর্ডকে। তবে বিসিবি পুরো বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবেই নিয়েছে। উল্টো টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীরের কথায় পরিষ্কার, এমন ভাবনা তাঁদের আগে থেকেই ছিল। তিনি বলেন, ‘একটি সত্যি কথা বলি, ওরা যদি আমাদের কাছে দাবিদাওয়া নিয়ে না-ও আসত, তবু আমরা ওদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতাম। এটা আমাদের চিন্তায়ই ছিল। কারণ আমরা চাই, বছরে এসব টুর্নামেন্ট খেলেই যাতে ক্রিকেটাররা ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা আয় করতে পারে। আমাদের এই বোর্ড ক্রিকেটের অবকাঠামো আর ক্রিকেটারদের উন্নতিতেই সর্বোচ্চ শ্রম দিচ্ছে।’
বোর্ডের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ার বিষয়টিও উড়িয়ে দিয়েছেন সিরাজউদ্দিন আলমগীর। তার কথা, ‘আরেকটি ব্যাপার হচ্ছে, আমরা তো ওদের কথা চিন্তা করেই তিনটি পুরনো টুর্নামেন্টকে একটি কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসছি। সেই কাঠামো যদি বাস্তবায়ন হয়ে যায়, তাহলে এটা কোনো ব্যাপারই না। ধরুন, আমরা যদি তিনটি টুর্নামেন্ট থেকে ১৫ কোটি টাকা আয় করি, সে ক্ষেত্রে ক্রিকেটারদের পাঁচ কোটি দিতে তো সমস্যা নেই।’










