উইম্বলডন দেখার সময় এক কিশোর ছাত্রের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগে অভিযুক্ত ৩০ বছর বয়সী ব্রিটিশ জিম শিক্ষিকা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান ও নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার তার শুনানিতে প্রসিকিউটররা ঘটনার বর্ণনা দেন। তারা জানান, ব্রিটিশ জিম শিক্ষিকা উইম্বলডন দেখার সময় তার কিশোর ছাত্রের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। ওই ছাত্র তাকে ‘মিস’ বলে সম্বোধন করত। কিন্তু অভিযুক্ত সেই সম্মান রক্ষা করতে পারেননি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩০ বছর বয়সী ব্রনওয়েন জেমস ১৬ বছর বয়সী ছাত্রের সঙ্গে ‘প্রেমপূর্ণ’ সম্পর্ক শুরু করেন। পরে গোপনে স্ন্যাপচ্যাটে মেসেজ পাঠিয়ে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করেন।
উইনচেস্টার টাউন কোর্টে ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিসের (সিপিএস) যুক্তি অনুসারে, ছাত্রটি আরও দাবি করেছে যে অভিযুক্ত নারী চাইতেন তারা যখন একা থাকতেন, তখন সে তাকে ‘মিস’ বলে ডাকুক।
সিপিএস দাবি করেছে, উইল্টশায়ারের এই শিক্ষিকা কিশোরটির সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। আর এ কাজে ছাত্রকে প্ররোচিত করতে মিথ্যা আশ্বাস দেন। আশ্বাসটি এমন ছিল, তিনি ওই ছাত্রকে ‘ভালোবাসেন’ এবং একসঙ্গে ‘অন্যত্র চলে যেতে’ চান।
ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটনের বিটার্ন পার্ক স্কুলে শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন জেমস এই কাজ করেন।
প্রসিকিউটর এডওয়ার্ড কালভার বলেন, জেমস নিয়মিত ক্লাসের সময় ছাত্রদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অনুমতি দিতেন। তখনই ছেলেটি প্রথমবার তার স্ন্যাপচ্যাট হ্যান্ডেলে যুক্ত হওয়ার ইচ্ছে জানায়। প্রথমে অভিযুক্ত তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
কালভার আদালতকে বলেন, ‘তিনি প্রথমে স্ন্যাপচ্যাটে তাকে যুক্ত করার চেষ্টা প্রত্যাখ্যান করলেও পরে তা করতে রাজি হন।’
প্রসিকিউটররা বলেন, ‘তারা একে অপরকে মেসেজ করা শুরু করে। মেসেজগুলো প্রেমমূলক হয়ে ওঠে। তারা দুজন দেখা করে। তারা গাড়িতে একে অপরকে চুম্বন করে।’ এক পর্যায়ে জেমসের বাড়িতে ওই ছাত্রকে নিয়ে যান। সেখানে প্রথমে টিভি দেখার ভান করলেও পরে দুজন শারিরীক সম্পর্কে জড়ায়।
ভুক্তভোগী ছাত্রের দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষক তাকে প্ররোচিত করে শারিরীক সম্পর্ক করেন।
তবে জেমস অভিযোগগুলো অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তিনি মামলা চালিয়ে যাবেন। মিথ্যা অভিযোগের বিরুদ্ধে আদালতে প্রয়োজনীয় নথি উপস্থাপন করতে প্রস্তুত।










