ময়মনসিংহের নান্দাইলে প্রথম স্বামীকে তালাক না দিয়ে গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রুবিনা আক্তার নামে এক গৃহবধূকে প্রবাসী নতুন স্বামীসহ হাতেনাতে ধরেছেন তার প্রথম স্বামী শরীফ মিয়া। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ২টার দিকে নান্দাইল উপজেলা হাসপাতাল সংলগ্ন রিতা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে সিংরইল ইউনিয়নের উদংমধুপুর গ্রামের শরীফ মিয়ার সঙ্গে রুবিনা আক্তারের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। শরীফ নরসিংদীতে বাবুর্চির চাকরি করে স্ত্রীর পড়াশোনাসহ সার্বিক খরচ চালাতেন। পারিবারিক মনোমালিন্যের সুযোগ নিয়ে রুবিনা প্রথম বিয়ের তথ্য গোপন করে বাবা-মায়ের কথামতো ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার প্রবাসী হাফেজ আবু হানিফকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন।
বিষয়টি জানতে পেরে শরীফ লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে উকিল নোটিশ পাঠালেও রুবিনা তা অস্বীকার করেন। শনিবার রুবিনা নতুন স্বামীকে নিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে এলে প্রথম স্বামী শরীফ তাদের আটক করেন।
প্রথম স্বামী শরীফ মিয়ার অভিযোগ, ‘চাকরির উপার্জিত সব টাকা রুবিনাকে দিয়েছি। সে তালাক না দিয়েই গোপনে প্রতারণামূলক বিয়ে করেছে। আমি টাকা উদ্ধার ও ন্যায়বিচার চাই।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রুবিনা ও তার বাবা আব্দুল কাইয়ূম জানান, শরীফকে কোর্ট এফিডেভিটের মাধ্যমে তালাক দেওয়া হয়েছে; কাগজ না পৌঁছানোর দায় তাদের নয়।
নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম জানান, আইনশৃঙ্খলার যাতে অবনতি না ঘটে সেজন্য তাদের থানায় আনা হয়েছিল। এটি পারিবারিক বিষয় হওয়ায় মেয়েকে তার বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।










