মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলায় ১০২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
টানা বৃষ্টির কারণে নগরীর আদালত সড়ক, মনোহরপুর, রেসকোর্স, মগবাড়ি চৌমুনীসহ বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি জমে যায়। এতে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। পানি ঢুকে যাওয়ায় অনেক বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে নগরীর ঈশ্বর পাঠশালা স্কুলসহ বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়ে শিক্ষার্থীরা। শ্রেণিকক্ষে পানি ঢুকে যাওয়ায় অনেককে বেঞ্চের ওপর পা তুলে এবং দাঁড়িয়ে পরীক্ষা দিতে দেখা গেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকার শ্রেণিকক্ষে মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিতে বাধ্য হয় তারা।
পানি নিষ্কাশনে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন কাজ শুরু করলেও বিকেল পর্যন্ত নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। এছাড়া টানা বর্ষণ ও ঝড়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ফসল ও ঘরবাড়ির ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সার্বিক বিষয়ে কুমিল্লা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা তুজ জোহরা সময় সংবাদকে বলেন, ‘আজকে হঠাৎ করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সম্ভবত ফেনী এবং কুমিল্লায় মেঘ বিস্ফোরণ হয়েছে। এমন পরিস্থিতির জন্য কেউ প্রস্তুত ছিল না। আমরা সকাল থেকে জলাবদ্ধতা নিয়ে কাজ করেছি। তাছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসনে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন থেকে স্পেশাল টিম কাজ করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঈশ্বর পাঠশালা স্কুলে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সময় জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলব, যাতে করে পরবর্তীতে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে না হয়।’









